খুঁজুন
সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ২ চৈত্র, ১৪৩২

ঈদের ছোঁয়ায় ফ্যাশন রানওয়ে: আভিজাত্য আর রঙের মিলনমেলা

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩১ পূর্বাহ্ণ
ঈদের ছোঁয়ায় ফ্যাশন রানওয়ে: আভিজাত্য আর রঙের মিলনমেলা

আসন্ন ঈদকে ঘিরে আভিজাত্য, সৃজনশীলতা ও লাইফস্টাইলের অনন্য সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হলো ঈদ লাইফস্টাইল ফ্যাশন রানওয়ে। আয়োজনটি উপস্থাপন করে বিকে কর্পোরেট সলিউশন। পাওয়ার্ড বাই ছিল Karotoa Green এবং কো-পাওয়ার্ড বাই Korean Mart Bangladesh।

শোটি পরিচালনা করেন পরিচালক সুমন হোসেন। তার সৃজনশীল নির্দেশনায় মঞ্চে উঠে আসে মোট চৌদ্দটি ভিন্নধর্মী রানওয়ে সেগমেন্ট, যেখানে অংশ নেয় দেশের বিভিন্ন পরিচিত ও উদীয়মান ফ্যাশন ব্র্যান্ড।

রানওয়েতে তাদের ঈদ কালেকশন উপস্থাপন করে Anzara, Elor, Azran, Tabaz, Demand, Rathaz, Moons, Adriza, Tanjin Fashion House, Tazzids, Moushumi, Liana, Whitty Skin এবং Ali Shaheb। প্রতিটি ব্র্যান্ড তাদের নিজস্ব নান্দনিকতা, কাট, কারুকাজ ও রঙের বৈচিত্র্যে ঈদের ফ্যাশনকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করে। জুয়েলারি পার্টনার Dazzel by Sonia এর অলংকার প্রতিটি লুককে দেয় আলাদা দীপ্তি।

সন্ধ্যার উপস্থাপনায় ছিলেন বুশরা কবির ও ইমতু রাতিশ, যাদের সাবলীল ও প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত। শো-স্টপার হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাদিয়া জাহান প্রভা, বুশরা কবির, আকসা, আঁখি, লিমি, মায়সা, আনামিকা, সানজিদা তাসনিম ও কাসফিয়া—যাদের উপস্থিতি রানওয়েকে এনে দেয় তারকাখচিত আভা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ উপস্থিতি সম্মাননা প্রদান করা হয় ইভান শরিয়ার সোহাগ, সিনথিয়া ইয়াসমিন, মিম মানতাশা এবং শারস্রে শ্রেয়াকে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফ্যাশন প্রভাব বিস্তারের জন্য ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় সাদিয়া সুচিতা, নাজমি জান্নাত, তোরি ইসলাম, ওয়াজিয়া মনসন, নাজিয়া দুর্দানা, সানজি হোসেন ও সানজিদা আফরিনকে।

শোটির কোরিওগ্রাফি করেন সাইয়েদ রুমা ও আশিকুর রহমান পনি। স্টাইলিং পরিচালনা করেন শরিয়ার আলী খান।সোহান করিম ও আরনব মর্তুজা আলী। ইভেন্টটি সাপোর্ট করে, মেক মাই ইভেন্ট। ফুড স্পন্সর ছিলেন। বিরিয়ানি ভাই, Digital IT; এটি ছিল Bangladesh Fashion Runway Week-এর অ্যাসোসিয়েটেড আয়োজন এবং মিডিয়া পার্টনার ছিল Media Cast 24।

ঈদ লাইফস্টাইল ফ্যাশন রানওয়ে কেবল একটি ফ্যাশন শো নয়, বরং ছিল উৎসবকে ঘিরে একটি স্টাইল স্টেটমেন্ট যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের ফ্যাশনের সমকালীন রূপ।

শাহরিয়ার কবিরের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত: মনিরা শারমিন

টিএনজে ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:২০ পূর্বাহ্ণ
   
শাহরিয়ার কবিরের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত: মনিরা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় জামায়াতে ইসলামীপন্থী আইনজীবী শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা সোয়া ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ক্ষমা চাইতে বলে এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকে মনিরা শারমিন লিখেন, ‘এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন জামায়াতের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহরিয়ার কবির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে যে কয়জন নারী নেত্রী সরব ছিলেন, তিনি তাদের মধ্যে একজন। তখন আমরা আমাদের পাশে কাউকে পাই নাই। তার ব্যাপারে যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটা দল নেবে। শাহরিয়ার কবির শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেছেন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘সামান্তা আপুর অনেক কথার সঙ্গে আমি একমত না। কিন্তু উনাকে আততায়ী বলা, টাকায় বিক্রি হওয়া ও এজেন্ট বলার মতো নোংরা মন্তব্য করার জন্য শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।’

 

টিএনজে/এএইচ 

জ্বালানি হাহাকারে দিশেহারা কুরিয়ার খাত: পচে যাচ্ছে পণ্য, গ্রাহকের ক্ষোভ আর মালিকের মাথায় হাত!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
   
জ্বালানি হাহাকারে দিশেহারা কুরিয়ার খাত: পচে যাচ্ছে পণ্য, গ্রাহকের ক্ষোভ আর মালিকের মাথায় হাত!

দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কুরিয়ার ও লজিস্টিক সেবা খাত। ডিপো থেকে শুরু করে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় পণ্য পরিবহনের চাকা প্রায় থমকে গেছে। এর সরাসরি প্রভাবে সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে ই-কমার্স উদ্যোক্তা ও কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিকরা চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। 

পচছে গ্রাহকের পণ্য, বাড়ছে অসন্তোষ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কুরিয়ার অফিসগুলোতে বর্তমানে পার্সেলের পাহাড় জমেছে। বিশেষ করে পচনশীল পণ্য যেমন—ফলমূল, শাকসবজি ও দেশীয় খাবার সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । অনলাইনে পণ্য বিক্রেতা অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অভিযোগ করেছেন, তাদের পাঠানো কয়েক হাজার টাকার পণ্য কুরিয়ার অফিসে আটকে পচে গেছে। গ্রাহকরা পণ্য হাতে না পেয়ে অর্ডার বাতিল করছেন, যার পুরো দায় ও লোকসান গিয়ে পড়ছে বিক্রেতার ওপর।

সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো

কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন এবং তেলের রেশনিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেক গাড়িও রাস্তায় নামানো সম্ভব হচ্ছে না । অনেক সময় ফিলিং স্টেশনে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ২ থেকে ১০ লিটারের বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না, যা দীর্ঘ দূরত্বের ভ্যানের জন্য একেবারেই অপর্যাপ্ত । অনেক ছোট ও মাঝারি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান তাদের বুকিং সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।

কুরিয়ার সার্ভিস মালিকরা বলছেন, তারা উভয় সংকটে আছেন। তেলের জন্য পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকলেও মিলছে না পর্যাপ্ত ডিজেল। তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় বা সংকটের কারণে ট্রাক ভাড়াও আকাশচুম্বী। আগের চুক্তিতে বুকিং নেওয়া পার্সেলগুলো এখন দ্বিগুণ খরচে পাঠাতে গিয়ে লোকসানের ভারে নুয়ে পড়েছেন মালিকরা। অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে বুকিং নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

গ্রাহকদের ভোগান্তি তুঙ্গে

জরুরি নথিপত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য—কিছুই সময়মতো পৌঁছাচ্ছে না। গ্রাহকরা অভিযোগ করছেন, যেখানে দুই দিনে পণ্য পৌঁছানোর কথা, সেখানে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোনো হদিস মিলছে না। কুরিয়ার অফিসগুলোর কাস্টমার কেয়ারে কল করে কোনো সদুত্তর পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা, ফলে তৈরি হচ্ছে তীব্র ক্ষোভ।

সার্ভিস নয়, যেন এক অনিশ্চয়তার নাম

“গাড়ি ছাড়বে কি না জানি না, তেল পেলে খবর দেব”—কুরিয়ার অফিসগুলোতে গ্রাহকদের এখন এমন উত্তরই শুনতে হচ্ছে। জরুরি নথিপত্র, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ কিংবা পরীক্ষার প্রবেশপত্র—কিছুই সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে না। গ্রাহক সেবা এখন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ; বাস্তবে এটি এক চরম ভোগান্তির নাম। অনেক গ্রাহক ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, “কুরিয়ার সার্ভিস এখন পণ্য পৌঁছে দেওয়ার বদলে পণ্য নষ্ট করার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।”

সাপ্লাই চেইন যখন মৃত্যুর মুখে

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, কুরিয়ার সার্ভিস কেবল পণ্য টানে না, এটি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড বা ‘সাপ্লাই চেইন’। এই চেইন একবার ভেঙে পড়লে এর প্রভাব থেকে বের হতে বছরের পর বছর সময় লাগবে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে পণ্যবাহী যানবাহনকে ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে ঘোষণা না করলে এই খাত থেকে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নামতে পারে। এতে শুধু লজিস্টিক খাত নয়, বরং পুরো দেশের ই-কমার্স এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক খাত দীর্ঘমেয়াদী সংকটে পড়বে । দ্রুত তেলের রেশনিং ব্যবস্থা শিথিল করে পণ্যবাহী যানবাহনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

টিএনজে/এএইচ 

আড়ং থেকে কাপড় কিনে ক্ষোভে হাতে করেই নিয়ে গেলেন রুমিন ফারহানা

টিএনজে ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
   
আড়ং থেকে কাপড় কিনে ক্ষোভে হাতে করেই নিয়ে গেলেন রুমিন ফারহানা

রাজধানীর উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডের আড়ং-এর শোরুম থেকে মায়ের জন্য কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে বাসায় ফিরলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। হাতে করে কাপড় নিয়ে বাসায় ফেরার এই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

বিষয়টি নিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ শনিবার (১৪ মার্চ) বিকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে দেওয়া ছবিতে দেখা যায়, রুমিন ফারহানা হাতে করে বেশ কয়েকটি কাপড় নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নামছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‌‘আজ একজন সংসদ সদস্যের সঙ্গে যা হলো তা নিয়ে লিখতে বাধ্য হলাম। আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে এর আগেও বহুবার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কিন্তু আজ অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকো সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমরা গ্রাহকরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনবো। কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাবো না, এটা কেমন নিয়ম? পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর। আমি মনে করি,

গ্রাহকের ন্যূনতম সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গ্রাহকের কষ্ট যেন অবহেলার বিষয় না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শনিবার রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ ইফতারের পর উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডের আড়ং-এর শোরুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে দিয়ে কোনও ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। কাউন্টার থেকে বলা হয়, কাপড় নেওয়ার ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে।’ তখন প্রশ্ন করি, কেন কাপড়ের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে? অদ্ভুত কথা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাপড়গুলো হাতে করে নিয়ে বাসায় আসি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মায়ের জন্য ম্যাক্সি কাপড় কিনতেই আড়ংয়ে যেতে হয়েছিল। কারণ মায়ের যে ম্যাক্সির মাপ তা আড়ংয়ের সঙ্গে মিলে যায়। অন্য দোকানে মিল পাওয়া যায় না। সে কারণে আড়ংয়ে যাওয়া। না হলে জীবনেও আড়ংয়ে যেতাম না। আমি নিজের জন্য কোনোদিন আড়ং থেকে কাপড় কিনি নাই।’

এ বিষয়ে জানতে উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডের আড়ং-এর শোরুমের টিঅ্যান্ডটি নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও কেউ রিসিভ করেননি।

 

টিএনজে/এএইচ