খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩ চৈত্র, ১৪৩২

আইটিপল্লী নিউজ-১ ডেমো নিউজ থ্রী

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
আইটিপল্লী নিউজ-১ ডেমো নিউজ  থ্রী

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

শাহরিয়ার কবিরের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত: মনিরা শারমিন

টিএনজে ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:২০ পূর্বাহ্ণ
   
শাহরিয়ার কবিরের প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত: মনিরা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় জামায়াতে ইসলামীপন্থী আইনজীবী শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

শনিবার (১৪ মার্চ) বেলা সোয়া ৩টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ক্ষমা চাইতে বলে এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকে মনিরা শারমিন লিখেন, ‘এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিনকে নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন জামায়াতের রাজনৈতিক বিশ্লেষক শাহরিয়ার কবির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী আমলে যে কয়জন নারী নেত্রী সরব ছিলেন, তিনি তাদের মধ্যে একজন। তখন আমরা আমাদের পাশে কাউকে পাই নাই। তার ব্যাপারে যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটা দল নেবে। শাহরিয়ার কবির শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্য করেছেন।’

তিনি আরও লিখেন, ‘সামান্তা আপুর অনেক কথার সঙ্গে আমি একমত না। কিন্তু উনাকে আততায়ী বলা, টাকায় বিক্রি হওয়া ও এজেন্ট বলার মতো নোংরা মন্তব্য করার জন্য শাহরিয়ার কবিরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত।’

 

টিএনজে/এএইচ 

জ্বালানি হাহাকারে দিশেহারা কুরিয়ার খাত: পচে যাচ্ছে পণ্য, গ্রাহকের ক্ষোভ আর মালিকের মাথায় হাত!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
   
জ্বালানি হাহাকারে দিশেহারা কুরিয়ার খাত: পচে যাচ্ছে পণ্য, গ্রাহকের ক্ষোভ আর মালিকের মাথায় হাত!

দেশে চলমান তীব্র জ্বালানি তেল সংকটের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কুরিয়ার ও লজিস্টিক সেবা খাত। ডিপো থেকে শুরু করে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় পণ্য পরিবহনের চাকা প্রায় থমকে গেছে। এর সরাসরি প্রভাবে সাধারণ গ্রাহক থেকে শুরু করে ই-কমার্স উদ্যোক্তা ও কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের মালিকরা চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। 

পচছে গ্রাহকের পণ্য, বাড়ছে অসন্তোষ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কুরিয়ার অফিসগুলোতে বর্তমানে পার্সেলের পাহাড় জমেছে। বিশেষ করে পচনশীল পণ্য যেমন—ফলমূল, শাকসবজি ও দেশীয় খাবার সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । অনলাইনে পণ্য বিক্রেতা অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা অভিযোগ করেছেন, তাদের পাঠানো কয়েক হাজার টাকার পণ্য কুরিয়ার অফিসে আটকে পচে গেছে। গ্রাহকরা পণ্য হাতে না পেয়ে অর্ডার বাতিল করছেন, যার পুরো দায় ও লোকসান গিয়ে পড়ছে বিক্রেতার ওপর।

সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো

কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন এবং তেলের রেশনিংয়ের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেক গাড়িও রাস্তায় নামানো সম্ভব হচ্ছে না । অনেক সময় ফিলিং স্টেশনে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ২ থেকে ১০ লিটারের বেশি তেল পাওয়া যাচ্ছে না, যা দীর্ঘ দূরত্বের ভ্যানের জন্য একেবারেই অপর্যাপ্ত । অনেক ছোট ও মাঝারি কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান তাদের বুকিং সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।

কুরিয়ার সার্ভিস মালিকরা বলছেন, তারা উভয় সংকটে আছেন। তেলের জন্য পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকলেও মিলছে না পর্যাপ্ত ডিজেল। তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় বা সংকটের কারণে ট্রাক ভাড়াও আকাশচুম্বী। আগের চুক্তিতে বুকিং নেওয়া পার্সেলগুলো এখন দ্বিগুণ খরচে পাঠাতে গিয়ে লোকসানের ভারে নুয়ে পড়েছেন মালিকরা। অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে বুকিং নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

গ্রাহকদের ভোগান্তি তুঙ্গে

জরুরি নথিপত্র থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য—কিছুই সময়মতো পৌঁছাচ্ছে না। গ্রাহকরা অভিযোগ করছেন, যেখানে দুই দিনে পণ্য পৌঁছানোর কথা, সেখানে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোনো হদিস মিলছে না। কুরিয়ার অফিসগুলোর কাস্টমার কেয়ারে কল করে কোনো সদুত্তর পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা, ফলে তৈরি হচ্ছে তীব্র ক্ষোভ।

সার্ভিস নয়, যেন এক অনিশ্চয়তার নাম

“গাড়ি ছাড়বে কি না জানি না, তেল পেলে খবর দেব”—কুরিয়ার অফিসগুলোতে গ্রাহকদের এখন এমন উত্তরই শুনতে হচ্ছে। জরুরি নথিপত্র, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ কিংবা পরীক্ষার প্রবেশপত্র—কিছুই সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে না। গ্রাহক সেবা এখন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ; বাস্তবে এটি এক চরম ভোগান্তির নাম। অনেক গ্রাহক ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, “কুরিয়ার সার্ভিস এখন পণ্য পৌঁছে দেওয়ার বদলে পণ্য নষ্ট করার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।”

সাপ্লাই চেইন যখন মৃত্যুর মুখে

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, কুরিয়ার সার্ভিস কেবল পণ্য টানে না, এটি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড বা ‘সাপ্লাই চেইন’। এই চেইন একবার ভেঙে পড়লে এর প্রভাব থেকে বের হতে বছরের পর বছর সময় লাগবে। দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে পণ্যবাহী যানবাহনকে ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে ঘোষণা না করলে এই খাত থেকে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নামতে পারে। এতে শুধু লজিস্টিক খাত নয়, বরং পুরো দেশের ই-কমার্স এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক খাত দীর্ঘমেয়াদী সংকটে পড়বে । দ্রুত তেলের রেশনিং ব্যবস্থা শিথিল করে পণ্যবাহী যানবাহনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

টিএনজে/এএইচ 

আড়ং থেকে কাপড় কিনে ক্ষোভে হাতে করেই নিয়ে গেলেন রুমিন ফারহানা

টিএনজে ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
   
আড়ং থেকে কাপড় কিনে ক্ষোভে হাতে করেই নিয়ে গেলেন রুমিন ফারহানা

রাজধানীর উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডের আড়ং-এর শোরুম থেকে মায়ের জন্য কাপড় কিনে শপিং ব্যাগ না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে বাসায় ফিরলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। হাতে করে কাপড় নিয়ে বাসায় ফেরার এই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

বিষয়টি নিয়ে তার ব্যক্তিগত সহকারী জাকির হোসেন শুভ শনিবার (১৪ মার্চ) বিকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে দেওয়া ছবিতে দেখা যায়, রুমিন ফারহানা হাতে করে বেশ কয়েকটি কাপড় নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নামছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‌‘আজ একজন সংসদ সদস্যের সঙ্গে যা হলো তা নিয়ে লিখতে বাধ্য হলাম। আড়ং থেকে কেনাকাটা করতে গিয়ে এর আগেও বহুবার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। কিন্তু আজ অদ্ভুত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। একজন সংসদ সদস্যকে এতটুকো সম্মান দেখানো উচিত ছিল তাদের।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমরা গ্রাহকরা টাকা দিয়ে পণ্য কিনবো। কিন্তু সেই পণ্য বহন করার জন্য একটি সাধারণ শপিং ব্যাগও পাবো না, এটা কেমন নিয়ম? পরিবেশ রক্ষার কথা বলে যদি শপিং ব্যাগ বন্ধ করা হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থাও তো থাকতে হবে। কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে, গ্রাহকের সুবিধার চেয়ে নিয়ম চাপিয়ে দেওয়াটাই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। একটা ব্র্যান্ড যখন মানুষের ভালোবাসা আর আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, তখন সেই ব্র্যান্ডের দায়িত্বও থাকে গ্রাহকের প্রতি সম্মান দেখানোর। আমি মনে করি,

গ্রাহকের ন্যূনতম সম্মান নিশ্চিত করা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। গ্রাহকের কষ্ট যেন অবহেলার বিষয় না হয়, সেই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শনিবার রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ ইফতারের পর উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডের আড়ং-এর শোরুমে যাই। মায়ের জন্য চারটি কাপড় কিনি। কাউন্টারে যাওয়ার পর সাড়ে চার হাজার টাকার বিল ধরিয়ে দিয়ে কোনও ব্যাগ ছাড়াই কাপড় বুঝিয়ে দেয়। কাউন্টার থেকে বলা হয়, কাপড় নেওয়ার ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে।’ তখন প্রশ্ন করি, কেন কাপড়ের জন্য অতিরিক্ত ৪০ টাকা দিতে হবে? অদ্ভুত কথা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাপড়গুলো হাতে করে নিয়ে বাসায় আসি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মায়ের জন্য ম্যাক্সি কাপড় কিনতেই আড়ংয়ে যেতে হয়েছিল। কারণ মায়ের যে ম্যাক্সির মাপ তা আড়ংয়ের সঙ্গে মিলে যায়। অন্য দোকানে মিল পাওয়া যায় না। সে কারণে আড়ংয়ে যাওয়া। না হলে জীবনেও আড়ংয়ে যেতাম না। আমি নিজের জন্য কোনোদিন আড়ং থেকে কাপড় কিনি নাই।’

এ বিষয়ে জানতে উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডের আড়ং-এর শোরুমের টিঅ্যান্ডটি নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও কেউ রিসিভ করেননি।

 

টিএনজে/এএইচ