খুঁজুন
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র, ১৪৩২

পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

টিএনজে ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ১:২২ পূর্বাহ্ণ
পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ

পার্বত্য চট্টগ্রামে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা জোরালো ভাবে চল্লেও বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা নওমুসলিমরা পিছিয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায। বুধবার ১৮ মে ২০২৬ তারিখ খাগড়াছড়ি জেলা রামগড়ে নওমুসলিমদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ কালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, খ্রিস্টান মিশনারি এগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষের মাঝে দান/অনুদান প্রদান করে এবং লোভ-লালসা দেখিয়ে পাহাড়ের সহজসরল মানুষদের ধর্মান্তিত করাচ্ছে। যেন দীর্ঘ মেয়াদি সময়ে অত্র অঞ্চলপ একটি স্বাধীন খ্রিস্টান রাষ্ট্র গঠন করা যায়। খ্রিস্টান মিশনারি গুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় সন্ত্রাসী সশস্ত্র সংগঠন গুলো কে দিয়ে নওমুসলিম, স্থানীয় মুসলিম এবং স্থানীয় বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর মানুষকে অত্র অঞ্চল থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই সব অপকৌশলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের করণীয় কী? আর কীভাবে ইসলাম ও মুসলিম এবং বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের এই মারাত্মক চক্রান্তের মুকাবিলা করা যাবে? কি ভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমদের তাদের জুলুম ও নির্যাতন থেকে রক্ষা করা যাবে তা সরকার এবং সচেতন নাগরিকদের ঠিক করতে হবে। নিশ্চয় এ দায়িত্ব ও কর্তব্য অনেক বড়, আর তা সকল মুসলিমের উপর সমভাবে আবর্তিত। এককভাবে হোক কিংবা সংঘবদ্ধভাবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে হোক কিংবা গোষ্ঠীগতভাবে। দেশের প্রতিটি মুসলিম ও দেশপ্রেমিক জনগোষ্ঠীর উপরই এ দায়িত্ব পতিত। কেননা পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি মুসলিম, বৌদ্ধ ও সনাতনী সম্প্রদায়ের ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই খ্রিস্টান মিশনারি গুলোর বিষাক্ত টার্গেটের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ, নওমুসলিম সহ সকল মুসলমান ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত প্রতিটি জনগোষ্ঠীর মানুষকে তাদের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করবেন।

সভাপতি বক্তব্যে মাওলানা নুরুজ্জামান বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের মুসলমানদের জন্য অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দিনটি আমাদের মুসলিম ভাইদের জন্য বড়ই আনন্দের এবং খুশির দিন। পার্বত্য চট্টগ্রামের নওমুসলিমরা দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করায় এবং ভিন্ন ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করার কারণে নিজ জাতিগোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম অর্থনৈতিক ও খাদ্য সংকটের মধ্যে দিয়ে জীবনযাপন করছে। রাষ্ট্রীয় ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে হতদরিদ্রের জন্য সহযোগিতা প্রদান করা হলেও পার্বত্য অঞ্চলের প্রশাসনিক কাঠামো উপজাতিদের হাতে থাকায় নওমুসলিমগণ সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নওমুসলিমদের প্রতি সাহার্যের হাত বাড়িয়ে দিতে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন তিনি। সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে নওমুসলিমদের ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে বরাবরের মতো এবারও ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতেও সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে নওমুসলিম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল হক, আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা রবিউল ইসলাম লাদেন, মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া,শিক্ষাবিদ মরিয়ম বেগম, নওমুসলিম কল্যাণ পরিষদ এর সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও সম্পাদক মোঃ জুয়েল হোসেন, প্রমুখ।

‎ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিল, চাউল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, আলু, নুডুলস, চিনি, লাচ্চা সেমাই, বাংলা সেমাই, নারিকেল, বাদাম, দুধ সহ ১৩ ধরনের খাদ্য সামগ্রী।

 

টিএনজে/এএইচ

মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সংস্কৃতি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাহেব মাহমুদ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
   
মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সংস্কৃতি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার কাউতলী এলাকায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে “আমাদের স্বাধীনতা ও সংস্কৃতি” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ২০২৬) বাদ মাগরিবে স্থানীয় স্বপ্নতরী হলরুমে এ আয়োজন করা হয়।

বিজয় সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুফতি মুহাম্মদ ইসমাইল ভূইয়া। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিককর্মী, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হলে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, আমাদের জাতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানটি একটি প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে দেশপ্রেম ও সংস্কৃতির চেতনা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

টিএনজে/এএইচ 

মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের প্রত্যাশা শীর্ষক উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত 

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
   
মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের প্রত্যাশা শীর্ষক উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত 

শুক্রবার বিকাল ৪.৩০ ঘটিকায় রাজধানীর রমনাপার্কের উষাচত্বরে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবসে আমাদের প্রত্যাশা শীর্ষক উম্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

২৫ মার্চ কালো রাতে শহিদ হওয়া সকল নাগরিকের জন্য দোয়া পরিচালনার মাধ্যমে উম্মুক্ত আলোচনা শুরু হয়।

আলোচনা সভায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ এর প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মোস্তফা আল ইহযায বলেন, আমরা বিএনপি, জামাত, ইসলামি আন্দোলন, জাতীয় পার্টি যে- যেই দল করিনা কেন সবার আগে বাংলাদেশকে ভালোবাসাতে হবে। দেশের প্রতিটি জনগণ কে দেশপ্রেমিক হতে হবে। দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি একটি দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক সমস্যা, যেখানে বিভিন্ন শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ও প্রধান নেতাদের অবদান খণ্ডিত বা পরিবর্তনের অভিযোগ রয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষণায় শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান নিয়ে পাল্টাপাল্টি বয়ান তৈরির মাধ্যমে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। আমরা আর বিকৃত ইতিহাস দেখতে চাইনা, আমরা চাই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস। বিশেষ করে ২৬শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘটনাবলীর প্রামাণ্য নথিপত্র সংরক্ষণের করে সঠিক ইতিহাস গেজেট ভুক্ত করা হওক।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, শাহ সুফি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আব্দুল হান্নান আল হাদী, প্রভাষক মু.শাহজাহান শাজু, সমন্বয়ক সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ, মোঃ হারুন আর রশিদ খান, শেখ আহম্মেদ রাজু, মোঃ মিজান উদ্দিন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোঃ শাহ পরান সায়েম, মোঃ মোসলেম আলী, মোঃ শাকিল মিয়া, তারেক রহমান শাওন, খান রায়হান, লায়জু আরেফিন, মোঃ হাসিবুর রহমান, ফাতেমা খাতুন রুনা, আল ফারুক প্রমূখ।

এসময় বক্তাগণ, ছাত্র এবং যুবসমাজকে দেশের প্রকৃত ইতিহাস শিক্ষা ও ঐতিহ্যের ধারণ করার আহবান জানান।

 

টিএনজে/এএইচ 

থানায় ঢুকে ওসিসহ ৭ পুলিশকে পেটালেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:১৬ অপরাহ্ণ
   
থানায় ঢুকে ওসিসহ ৭ পুলিশকে পেটালেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুব জামায়াতের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। এতে থানার ওসি সরোয়ার আলম খানসহ অন্তত ৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় উপজেলা যুব জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জড়িত সন্দেহে তৌহিদুল ইসলাম কানন নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে পলাশবাড়ী থানার ওসি সরোয়ারে আলম খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পলাশবাড়ী থানায় এ ঘটনা ঘটে।

ওসি সরোয়ারে আলম খান জানান, পলাশবাড়ী উপজেলা শহরের কালিবাড়ী হাটের সরকারি বরাদ্দের একটি দোকানের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওই বিষয়টি নিয়ে যুব জামায়াতের নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশ কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে একটি অভিযোগপত্রসহ থানায় আসেন। পলাশ তাৎক্ষণিকভাবে বিবাদমান ওই দোকানে তালা দিতে তাকে (ওসি) চাপ দেন। এতে তিনি (ওসি) আপত্তি জানান এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে ওই নেতা ওসির সাথে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পরেন। শেষ পর্যন্ত ওসি রাজি না হলে ওই নেতা ও তার সঙ্গে থাকা যুবকেরা ওসির ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে তাকে (ওসি) মারপিট করেন। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এতে তিনি সহ সাত পুলিশ সদস্য আহত হন।

আহতদের মধ্যে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রুহুল আমিন, রাসেল, ছানোয়ারসহ ৭ জনকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নেওয়া হয়।

পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. সোহাগ জানান, রাত ১০টার দিকে ৭ জন পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩-৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুব জামায়াতের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, পুলিশই আগে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং এতে তাদের ২ জন আহত হয়েছে।

যুব জামায়াতের নেতা পলাশ বলেন, পুলিশ আমাদের মারধর করে উল্টো আমাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, অভিযুক্তদের এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দলীয় কেউ জড়িত থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশিদুল বারী বলেন, পুলিশ সদস্যদের ওপর মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত এক যুবককে আটক হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

টিএনজে/এএইচ